|| ডেস্ক রিপোর্ট ||

সুপার লিগের আগে আরও ২ পয়েন্ট ঝুলিতে ভরার সুযোগ ছিল আবাহনী লিমিটেড ও প্রাইম ব্যাংক স্পোর্টিং ক্লাবের। ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে বৃহস্পতিবার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল দু'দল। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে আবাহনী। ঝুলিতে আরও ২ পয়েন্ট যোগ করে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে এখন দুইয়ে আছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

এদিন ম্যাচ জিততে বড় স্কোরই টপকাতে হতো প্রাইম ব্যাংককে। কিন্তু ২৭২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা দলটিকে প্রথম ওভারেই নাকানি-চুবানি খাইয়ে নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। প্রথম দুই বলে দলে নেন এনামুল হক বিজয় ও অভিমন্ন্যু ইশ্বরনকে।

রানের খাতা খোলার আগেই দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ব্যাকফুটে থাকা দলটিকে উদ্ধারের দায়িত্ব কাঁধে নেন শাহাদাত হোসেন দিপু ও মুমিনুল হক। কিন্তু দলীয় ২৩ রানে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বলে ১৫ রানে বোল্ড হন মুমিনুল। ৩ উইকেট হারালেও দিপুর সঙ্গে জুটি গড়েন মোহাম্মদ মিঠুন।

তাদের ব্যাটে দলীয় হাফ সেঞ্চুরি পার করলেও ৭৮ রানে দিপুকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান তানভির ইসলাম। খানিক পর ৭ রানে নাসিরও ফেরেন এই স্পিনারের বলে। ১০৫ রানে ৫ ব্যাটসম্যান ফিরলেও দেখেশুনে খেলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মিঠুন।

মাঝে লড়াই চালিয়ে গেলেও শেখ মেহেদিকে ফিরিয়ে দেন আরাফাত সানি। তবে নাহিদুলকে সঙ্গে নিয়ে রান বাড়াতে থাকেন মিঠুন। দলীয় ১৬৪ রানে নাহিদ ও ২০০'র আগে রাজা ফিরলেও লড়াই চালিয়ে যেন মিঠুন। এক প্রান্ত আগলে রেখে তুলে নেন সেঞ্চুরি। এরপর মিঠুন ফিরলে ২৪৩ রানে অল আউট হয় প্রাইম ব্যাংক। তাতে আবাহনীর জয় ২৮ রানে।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৭১ রান করে আবাহনী। দলের হয়ে ৫৮ রান করেন হনুমা বিহারি। এছাড়া মোসাদ্দেক ৪০, শামিম ৩৬ ও ৩০'র ঘরে রান করেন আরও ৩ জন। রাকিবুল ইসলাম নেন ২ উইকেট।