সুপার সিক্সে ওঠার জন্য হিসেব-নিকেশটা একটু জটিলই ছিল। তবে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে নবাগত রূপগঞ্জ টাইগার্সের সামনে একমাত্র উপায় ছিল জয়। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটাসের বিপক্ষে একমাত্র জয়ই তাদের তুলে দিতে পারে সুপার সিক্সে।

বিকেএসপির তিন নম্বর গ্রাউন্ডে সেই প্রয়োজনীয় কাজটিই সেরে নিতে সক্ষম হলো মার্শাল আইয়ুবের দল। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সুপার সিক্স নিশ্চিত করে নিলো তারা।

১০ ম্যাচ শেষে রূপগঞ্জ টাইগার্সের পয়েন্ট ১০। রান রেট ০.১০০। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের পয়েন্টও ১০। তাদের রানরেট -০.২২৮।

যদিও গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের জন্য এখনও হুমকি হিসেবে রয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ৯ ম্যাচের তাদের পয়েন্ট ৮। তবে, মোহামেডানের রানরেট এত কম যে, শেষ ম্যাচটি জিতলেও তারা সেরা ৬টি দলের মধ্যে জায়গা করে নিতে পারবে, সে সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

জয়ের জন্য রূপগঞ্জ টাইগার্সের রান প্রয়োজন ছিল ২০৬। ৪৭.৪ ওভারেই ৬ উইকেট হারিয়ে তারা লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ফজলে মাহমুদ রাব্বির ব্যাটে ভর করে কাঙ্খিত জয়টি নিয়ে মাঠ ছাড়ে রূপগঞ্জ টাইগার্স।

শুরুতেই ওপেনার জাকির হাসানের (৪) উইকেট হারায় রূপগঞ্জ। আরেক ওপেনার মিজানুর রহমানও ১৪ রান করে আউট হয়ে যান। এরপরই মূলতঃ ঘুরে দাঁড়ান আসিফ আহমেদ রাতুল এবং ফজলে মাহমুদ রাব্বি। এ দু’জনের ৯০ রানের জুটিই মূলতঃ রূপগঞ্জের জয়ের ভিত রচনা করে দেন।

৭৭ বলে ৪৯ রান করে আউট হন আসিফ আহমেদ রাতুল। ১১৯ বল খেলে ৭৪ রান করে আউট হন ফজলে মাহমুদ রাব্বি। অধিনায়ক মার্শাল আইয়ুব কোনো রান না করে আউট হলেও শরিফুল্লাহ ১৬ রান করেন। শেষ দিকে সাদ নাসিম ২১ এবং ফরহাদ রেজা ১৯ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০৫ রান সংগ্রহ করে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। ব্যাট করতে নেমে শুরুতে তুমুল বিপর্যয়ের মুখে পড়ে গাজী গ্রুপ। কোনো রান না করেই আউট হয়ে যান ওপেনার মাহমুদুল হাসান। ফরহাদ হোসেন ২ রানে এবং আল আমিন জুনিয়র আউট হন ১ রান করে।

তবে আরেক ওপেনার মেহেদী মারুফ ছিলেন অবিচল। ১১২ বল খেলে তিনি আউট হন ৫৬ রান করে। অধিনায়ক আকবর আলি করেন ৪৮ রান। ভারতীয় রিক্রুট গুরিন্দর সিং ৪৯ রান এবং মিম মোসাদ্দেক করেন ৩১ রান। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০৫ রান।

লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের পক্ষে নাসুম আহমেদ, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ এবং এনামুল হক জুনিয়র নেন ২টি করে উইকেট। ফরহাদ রেজা নেন ১ উইকেট।

আইএইচএস/