সদ্য সংবাদ
শীতের দিনে আপেল খাওয়ার বিশেষ উপকারিতা

শীতকালীন তীব্র ঠান্ডায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে। এসময় এমন একটি ফল দরকার, যা শরীরকে উষ্ণ রাখতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। আপেল এমনই একটি ফল, যা শীতের সময়ে আপনার ডায়েটে থাকা অত্যন্ত জরুরি।
আপেল শুধু একটি সুস্বাদু ফলই নয়, এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর। একটি প্রাচীন প্রবাদ বলেই দেয়, “প্রতিদিন একটি আপেল ডাক্তারকে দূরে রাখে।” শীতের সময়ে আপেলের বিশেষ উপকারিতাগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক।
আপেলের পুষ্টিগুণ
একটি মাঝারি আকারের আপেলে থাকে:
ফাইবার: ৪.৮ গ্রাম
কার্বোহাইড্রেট: ১১.৬ গ্রাম
প্রোটিন: ০.৬ গ্রাম
চর্বি: ০.৫ গ্রাম
পটাসিয়াম: ১০০ মিলিগ্রাম
ভিটামিন সি: ৬ মিলিগ্রাম
এছাড়াও, আপেল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজে সমৃদ্ধ, যা শরীরের বিভিন্ন সমস্যার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
শীতে আপেল খাওয়ার উপকারিতা
১. ঠান্ডাজনিত সমস্যার প্রতিরোধে সহায়ক
শীতকালে সর্দি-কাশি এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ খুবই সাধারণ। আপেলে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সর্দি-কাশির মতো সমস্যার ঝুঁকি কমায়।
২. হার্ট সুস্থ রাখে
শীতকালে ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে রক্তনালী সংকুচিত হয়, যা হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। আপেলের পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখে।
৩. রক্তে শর্করা এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে
আপেলের ফাইবার রক্তে শর্করার শোষণ ধীর করে দেয়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। এছাড়া এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রক্তনালীগুলোকে সুস্থ রাখে।
৪. হজম শক্তি বাড়ায়
আপেলে থাকা পেকটিন এবং ম্যালিক এসিড হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। এটি অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে, যা হজম এবং মেটাবলিজম ভালো রাখতে সাহায্য করে।
৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
শীতে অনেকেই বেশি খাওয়া-দাওয়া করে থাকেন। আপেল পেট ভরিয়ে রাখে এবং অতিরিক্ত ক্ষুধা কমায়। এটি ক্যালোরি কমিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৬. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়
শীতকালে ত্বক শুষ্ক এবং রুক্ষ হয়ে পড়ে। আপেলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি ত্বককে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর রাখে।
আপেল খাওয়ার সঠিক সময় এবং পদ্ধতি
প্রতিদিন সকালে নাস্তার সঙ্গে একটি আপেল খাওয়ার অভ্যাস করুন।
আপেল ভালোভাবে ধুয়ে বা খোসাসহ খান, কারণ খোসায় প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে।
যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তারা দিনে ১-২টি আপেল খেতে পারেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শীতকালীন ঠান্ডা আবহাওয়ার সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নিতে প্রতিদিন আপেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এটি শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে না, বরং শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখবে। আপেল আপনার শীতকালীন ডায়েটের অন্যতম সেরা সঙ্গী হতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে এবং এই শীত উপভোগ করতে, আপেলকে রাখুন আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায়।
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- প্রথম গ্রেড অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা
- নিজের কুমারীত্ব ১৮ কোটিতে নিলামে বিক্রি করলেন কলেজ ছাত্রী
- সর্বনাশের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, মাটির নিচে ভয়ংকর শক্তি
- পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকছেন ড. ইউনূস
- আজ ঈদের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে সৌদি আরব
- বাংলাদেশে ঈদ সোমবার
- এ বছর চাঁদ না দেখে ঈদ ঘোষণা করতে পারে সৌদি
- বাংলাদেশ দলে খেলে হামজা চৌধুরী কত টাকা পেলেন
- দাফন হওয়া কিশোর ২ মাস পর জীবিত হয়ে ফিরে এলো বাড়িতে
- জুমার নামাজের সময় মিয়ানমারে ভূমিকম্প, মসজিদ ধসে নিহত অন্তত ২০ জন
- বাংলাদেশকে কঠিন শাস্তি দিলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- প্রধান উপদেষ্টার সাথে সেনা প্রধানের বৈঠক
- ভূমিকম্পে কাঁপলো করাচি, আতঙ্কে রাস্তায় জনসাধারণ
- সেনাপ্রধানের ইমামতিতে নামাজের ছবি, আসল তথ্য ফাঁস
- বাংলাদেশে ভয়ংকর ভূমিকম্পের আশঙ্কা